দেশে থেকে , দেশের বিরুদ্ধে বলা টিভি চ্যানেল ও লোকেদের ওপর পড়ল ধামাকদার ধমকি জেনারেল বক্সীর ! বললো " ভাঁড় মে ..
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
জেনারেল বক্সী প্রায় দেশের স্বার্থে কথা বলতে দেখা যায় এবং সেই সমস্ত লোকের প্রতি উনার রাগ দেখা যায় যারা দেশদ্রোহী।দুঃখের বিষয় আজ ভারতবর্ষে এমন লোক আছে যারা ভারতে থেকে পাকিস্তানের গুণগান গায়।এক ভাষণে জেনারেল বক্সী সেইসমস্থ দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নিজের রাগ প্রকাশ করেন।উনি ভাষণের সময় দেশদ্রোহীদের জয়চাঁদ ও মীর জাফরের সাথে তুলনা করেন।তিনি বলেন ২০০ বছর ধরে ভারত মাতা কি জয় স্লোগান এবং জাতীয় পতাকার কোনো প্রশ্ন উঠেনি কিন্তু আজ উঠছে।এখন অসহিষ্ণুতার কথা উঠছে।স্বাধীনতার ২০০ বছর আগেও ভারত মাতা কি জয় বললে কোনো ইস্যু হতো না কিন্তু আজ বলা হচ্ছে এটা ধর্ম পরিবর্তনের জন্য করা হচ্ছে।এরপর তিনি কানাইয়া কুমারএর মতো কমিউনিস্টদের আক্রমণ করেন।এমনকি তিনি NDTV এর মতো চ্যানেল গুলোকেও আক্রমণ করেন।
দেখুন ভিডিওটি
জাকির নায়েককে নিয়ে উঠে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।এবার কি তাহলে গ্রেপ্তার হবে জাকির নায়েক?
ডেস্কঃ ভারতে ইসলাম ধর্মের প্রচারক জাকির নায়েককে নিশ্চয় ভুলে যাননি।জাকির নায়েক যিনি ইসলাম প্রচারের নামে মানুষের মধ্যে হিংসা ছড়াতেন, এবং অন্য ধর্মের বিরোধিতা করতেন। তিনি এখন ভারত থেকে পলাতক এবং তার বক্তৃতাও এখন শোনা যাচ্ছে না।এক সূত্রের খবর অনুযায়ী তিনি এখন মালেশিয়ায় লুকিয়ে আছেন।সম্প্রতি মালেশিয়া সরকার বলেছে যদি ভারত থেকে প্রত্যর্পণের আবেদন আসে তাহলে জাকির নায়েককে তারা ভারতের হাতে হস্তান্তরিত করবে।এর জন্য ভারতের আবেদন অবশ্যই প্রয়োজন।মালেশিয়া সরকার এটা মেনে নিয়েছে যে জাকির নায়েক ভারত থেকে পালিয়ে এসে বর্তমানে মালেশিয়াতে লুকিয়ে আছে।সম্প্রতি জাকির নায়েককে এক মালয়েশিয়ার এক মসজিদএ দেখতে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেন যদি ভারত জাকির নায়েককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন পত্র দেয়,তাহলেই আইনের সহায়তায় জাকির নায়েককে ভারতের হাতের তুলে দেবে নাহলে নয়।জাকির নায়েকের মালেশিয়ায় নাগরিকত্ব থাকায় সেখানে সে নিশ্চিন্তে ঘুরছে কিন্তু তার নাগরিকত্ব আপাতত কেড়ে নেওয়া হবে না কারণ মালেশিয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো কেস নেই।তবে চিন্তার কারণ নেই কারণ ভারতের বিদেশ মন্ত্রকলয়ের প্রবক্তা রবিশ কুমার বলেন যে ভারত জাকির নায়েককে ভারতে আনার জন্য দরকারি সমস্ত রকমের আবেদন পত্র তৈরী করছে এবং খুব তাড়াতাড়ি জাকির নায়েক ভারতে এনে গ্রেপ্তার করা হবে।
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী (nobel laureates) অর্থশাস্ত্রী অভিজিৎ ব্যানার্জী (Abhijit Banerjee) অনুযায়ী, যদি উনি ভারতে থাকতেন তাহলে ওনার পক্ষে নোবেল পুরস্কার জয় করা সম্ভব হতনা। eisamay উনি বলেন, এমন না যে ভারতে প্রতিভার অভাব আছে, কিন্তু এখানে বিশেষ প্রণালীর দরকার। এই কথা উনি জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভালে বলেন। উনি বলেন, MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে পিএইচডি করা অনেক ছাত্র আছে। আমি অনেক কাজের শ্রেয় পেয়েছি, কিন্তু সেগুলো অন্যেরা করেছি। কোন এক ব্যাক্তির কাছে এটা হাসিল করে নেওয়া সম্ভব না। দেশের রাজনৈতিক স্থিতি নিয়ে অভিজিৎ ব্যানার্জী বলেন, ভারতে একটি ভালো বিরোধী দলের দরকার। শাসকদলেরও একটি ভালো বিপক্ষের দরকার পড়ে। খারাপ আর্থিক অবস্থা নিয়ে অভিজিত ব্যানার্জী বলেন, আপাতত এটা মনে হচ্ছে না যে আমরা খুব শীঘ্রই এই সমস্যা থেকে উঠতে পাড়ব। এখনো সময় লাগবে। আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য আসতে আসতে কোন একটি জিনিষে কাজ করতে হবে। মুম্বাইতে জন্ম অভিজিৎ ব্যানার্জী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আর জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা প্রাপ্ত করেছেন। উনি হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি উপাধি পেয়েছ...
কলকাতা: ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রফিকুল ইসলামের কাছে একটি লবি গ্রুপের চিঠির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারতকে কোটি কোটি ডলারের বিনিময়ের চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য ভারতে উৎপাদন লাইন স্থাপনের প্রস্তাব দিচ্ছে। photo by google.com এই কোম্পানিগুলিও বলছে তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে 'ইন ইন্ডিয়া'-এর একটি সামরিক শিল্পের ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় স্থানীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় তৈরি পণ্যগুলির অপব্যবহারের জন্য দায়ী থাকবে না। লকহীড এবং বোয়িং ভারতের সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ বিমান সরবরাহের জন্য খুবই দরকার তাই দরকষাকষির কথা বলছে, যা সোভিয়েত যুগের মিগ বিমান থেকে অবসর গ্রহণ করে শত শত বিমানের ক্ষেপণাস্ত্র চালাচ্ছে এবং একটি দেশীয় জেট উৎপাদনের জন্য এটির নিজস্ব তিন দশক দীর্ঘ প্রচেষ্টা রয়েছে। হিন্দি ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা ঘোষিত করার সাথে এক নতুন ইঙ্গিত দিলেন রাষ্ট্রপতি, জেনে নিন কি। লকহীড ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাস থেকে এফ-16 উত্পাদনের লাইন ভারতে স্থানান্তর করার প্রস্তাব দিয়েছে, এবং ভারত যদি কমপক্ষে 100 টি একক ইঞ্জিন যোদ্ধাদের আদেশ দেয় তবে এটি বিশ্বব্যাপী একমাত্র কারখানা তৈরি কর...
আজকাল রোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে । তাই রোহিঙ্গা রহস্যটা জানা প্রয়োজন । 1824 খৃষ্টাব্দে ব্রিটিশরা বার্মা দখল করে। তারা কৃষিকর্মের জন্য পূর্ব বঙ্গের চিটাগং থেকে কিছু শ্রমিক বার্মার আরাকান (রাখাইন) প্রদেশে নিয়ে যায় । PHOTO BY GOOGLE.COM এদের বেশিরভাগই ছিল মুসলিম এবং কিছু ছিল হিন্দু । এজন্য চিটাগঙের ভাষার সাথে এদের ভাষার মিল এখনও আছে । অতীতে বা বর্তমানে রোহিঙ্গা বলে কোন জাতি বা সম্প্রদায় ছিল না বা নেই । ব্রিটিশরা বার্মা ত্যাগ করলেও এরা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে ও সমস্ত প্রকার সরকারি সূযোগ সুবিধা পেতে থাকে । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে স্বাগত জানালেন তাতে আবারও তাদের বন্ধুত্বের প্রমান পাওয়া গেলো। কিন্তু এরা চোরাচালান, ড্রাগপাচার , লুঠপাট, খুন , ধর্ষণ প্রভৃতি অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে । ধীরে ধীরে এই এলাকায় এদের প্রভাব বিস্তার হতে থাকে । ক্রমশ এরা বেপরোয়া হতে থাকে । এরা স্থানীয় ভূমিপূত্র বার্মিজদের উপর অকথ্য অত্যাচার শুরু করে । 1947 সালে ভারত স্বাধীন হলে এরা আরাকান প্রদেশকে পূর্ববঙ্গের সাথে যুক্ত করার চেষ্টা চালায় । এতে সফল না হলে ...
Comments
Post a Comment